মুরাদনগরে অপ প্রচারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ
২ দিন আগে মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
মুরাদনগরে জাহাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ তৈাফিক আহমেদের নামে অপ প্রচারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ
কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার ১৭নং জাহাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তৈাফিক আহমেদ এর বাড়ীর সামনে মসজিদের ওযুখানা ও পরিত্যাক্ত আর্সেনিক মুক্ত গভীর নলকুপ প্লানের সারঞ্জাম অবৈধভাবে বিক্রি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে সোসাল মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ ও অপ্রপচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার সকালে জাহাপুর ইউনিয়নের সাবেক নন্দিত চেয়ারম্যান তৈাফিক আহমেদের বাড়ীর সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে সোসাল মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ ও অপ্রপচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন এলাকাবাসী।
জানাযায়, জাহাপুর ইউনিয়নের সাবেক নন্দিত চেয়ারম্যান তৈাফিক আহমেদ টানা প্রায় ২৭ বছর অত্যান্ত সুনামের সহিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তারই ভাতিজা বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ সওকত আহমেদ। সম্প্রতি সময়ে কয়েকটি সোসাল মিডিয়ায় কে বা কাহারা সাবেক চেয়ারম্যান তৈাফিক আহমেদের সুনাম নষ্ট ও প্রতিহিংসা করে বাড়ীর সামনে পরিত্যাক্ত আর্সেনিক মুক্ত গভীর নলকুপ প্লানের সারঞ্জাম অবৈধভাবে বিক্রি করে টাকা আত্ম করেছে বলে অপপ্রচার চালানো হয়।
এছাড়া বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ সওকত আহমেদ তার বাড়ীর রাস্তা সম্প্রসারন ও পিছনের কয়েকটি পরিবারের জন্য রাস্তা প্রয়োজন মনে করে প্রায় ৪লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা ব্যায় করে খাল ভরাট করে অবৈধ ভাবে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠে। যার ফলে মসজিদের ওযুখানা ও গভীর নলকুপের পরিত্যাক্ত সারঞ্জাম বিক্রি করে জায়গা খালী করার পায়তারা করছেন তিনি।
এ বিষয় স্থানীয়রা জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান নিজের বাড়ীর রাস্তা নির্মান করতে মসজিদের ওযুখানা ভাঙ্গা ও পরিত্যাক্ত আর্সেনিক মুক্ত গভীর নলকুপ প্লানের সারঞ্জাম বিক্রি ও খাল ভরাট করেন।
এবিষয় সাবেক চেয়ারম্যান তৈাফিক আহমেদ জানান, এনজিও থেকে আর্সেনিক মুক্ত গভীর নলকুপ প্লানের বিষয়টি আমি নিয়ে এসেছি, বর্তমানে পরিত্যাক্ত সারঞ্জাম বিক্রি করে বর্তমান চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে বলেছি। আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্ধা জানাচ্ছি।
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা ইউনিয়ন অফিসে গিয়ে চেয়ারম্যানের বক্তব্য ক্যামেরায় ধারন করতে চাইলে তিনি নিষেধ করেন ও গোপন ক্যামেরায় ভিডিও করছে কি না তা দেখার জন্য তার সহযোগিকে নির্দেশ দেন। পরে তিনি জানান, এটা আমাদের পারিবারিব বিষয়, এটা নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। আপনারা আপনাদের মত করে লিখে দেন।