কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়া বাজার ফেমাস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃ*ত্যুর দাবী স্বজনদের।
৮ দিন আগে মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ফেমাস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই প্রসূতির নাম ফেরদৌসী আক্তার (২৪)। তিনি উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কাঁঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবির হোসেনের মেয়ে।
স্বজনরা জানায় গত ২৪ শে জুন সোমবার ভোরে ফেরদৌসী আক্তারের প্রসব বেদনা শুরু হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে মিয়া বাজার ফেমাস হাসপাতালে নিয়ে আসি। আনার পর রোগী সম্পন্ন সুস্থ ছিল ।তখন চিকিৎসক কোনো প্রকার পরিক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। বলে রোগির রক্তস্বল্পতা রয়েছে আপনারা রক্তের ব্যবস্থা করুন। তৎক্ষণাৎ এক ব্যাগ রক্ত ব্যবস্থা করা হয়, রক্ত রোগীর শরীরে পুশ করার আগে ডাক্তার সালামা অক্তার , ডাক্তার মুস্তাফিজ, ডাক্তার মনিরুল ইসলাম তারা সিজার সম্পন্ন করে করে। সিজারের অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগীর জ্ঞান ফিরবে এ কথা বলে ডাক্তার সালমা আক্তার এবং ডাক্তার মুস্তাফিজ হসপিটাল ত্যাগ করে। কিন্তু ২ ঘন্টাতে তো রোগির জ্ঞান না ফেরায় আমরা ডিউটি ডাক্তার মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞেস করলে ডাক্তার বলে রক্তস্বল্পতার কারণে রোগী খিচুনি চলে আসছে। তখন ডাক্তার মনিরুল ইসলাম সুকৌশলে রোগীকে কুমিল্লা মর্ডান হসপিটাল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
মর্ডান হসপিটালে আইসিইউ তে ভর্তি করা হয়। আইসিইউ তে দুইদিন থাকার পরেও রোগীর জ্ঞান না ফিরায় এবং আইসিউর খরচ বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাওয়ার কারণে আমরা কুমিল্লা মেডিকেল হসপিটালে নিয়ে যাই এবং আইসিওতে ভর্তি করি।
গত সাত দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ৩০ শে জুন রবিবার সকাল ৯ টায় ফেরদৌসের আক্তার মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের বাবা কবির হোসেন বলেন, ওই হাসপাতালের ডাক্তার আমার মেয়ে কে ভুল চিকিৎসা মেরে ফেলেছে। চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভূল চিকিৎসা করেছে জানিয়ে বিচার দাবি করেন তিনি।
এই ব্যাপারে ডাক্তার সালমা আক্তারের সাথে ফোনে কথা হলে বলেন জ্ঞান না ফেরার বিষয়ে আমি কিছু জানি না এ ব্যাপারে ডাক্তার মোস্তাফিজ বলতে পারবে। উনার সাথে দেখা করার কথা বললে উনি ব্যস্ত আছেন বলে মোবাইল কেটে দেন।
ডাক্তার মুস্তাফিজ কে কয়েকবার ফোন দিলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। ডাক্তার মনিরুল ইসলামের সাথে ফোনে কথা হলে
উনি বলেন রক্ত স্বল্পতার কারণে রোগীর খিচুনি চলে আসে এ কারণে রোগীকে আই সি ইউ তে রেফার করা হয় জ্ঞান না ফেরার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।
এই ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে।