শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ২৩ দিনের ছুটি, কবে থেকে শুরু?
৩ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হচ্ছে দীর্ঘ লম্বা ছুটি। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসাগুলোতে একযোগে এই ছুটি কার্যকর হবে। তবে মাঝখানে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় কার্যত আগামী ২১ মে (বৃহস্পতিবার) ক্লাস শেষেই দীর্ঘ বিরতিতে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের মূল ছুটি ২৪ মে থেকে শুরু হলেও তার আগে ২২ মে (শুক্রবার) ও ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। ফলে ২১ মে বৃহস্পতিবারই হবে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শেষ কর্মদিবস। ২২ মে থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়ে যাবে ছুটির আমেজ।
কোন প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে?
শিক্ষাপঞ্জির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির মেয়াদে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে-
স্কুল ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান:
সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি চলবে ২৪ মে থেকে ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান পুনরায় শুরু হবে ৭ জুন (রোববার)। ফলে এই স্তরের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ১৬ দিনের বিরতি পাচ্ছে।
মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান:
দেশের সব মাদ্রাসায় (আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) এই ছুটি আরও দীর্ঘ হবে। মাদ্রাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে শুরু হওয়া ছুটি চলবে ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। পরবর্তী ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটির পর ১৪ জুন (রোববার) থেকে পুনরায় শ্রেণিকক্ষ খুলবে। ফলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ একাদিক্রমে টানা ২৩ দিনের দীর্ঘ অবকাশ উপভোগের সুযোগ পাচ্ছে।
পরবর্তী বড় ছুটি কবে?
জুন মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার পর পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ছুটি শুরু হবে জুলাই মাসে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ২৯ জুলাই আষাঢ়ি পূর্ণিমা উপলক্ষে এক দিনের ছুটি থাকবে।
এ ছাড়া আগস্ট মাসে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এরপর সেপ্টেম্বর মাসেও শুভ জন্মাষ্টমী ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে সরকারি ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিবছরই পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মের তীব্রতা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বিশ্রাম ও পরিবারের সঙ্গে উৎসবমুখর সময় কাটানোর সুযোগ দিতে শিক্ষাপঞ্জিতে এই দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা রাখা হয়।