ঘোড়ায় চড়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের মঞ্চের সামনে আসেন এবারের মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের অধিনায়ক এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক। শুরুতেই উপ-অধিনায়কের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি।
প্রথমেই মিলিটারি পুলিশের মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইভাবে প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী ও তিন বাহিনীর প্রধান।
এদিকে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট দেখতে সকাল থেকে প্যারেড গ্রাউন্ডে জড়ো হন শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী হাজারো দর্শনার্থী। তাদের বসার জন্য প্লাস্টিকের চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। দর্শনার্থীদের অনেকের হাতে ও মাথায় জাতীয় পতাকা দেখা যায়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত হচ্ছে এই কুচকাওয়াজ।
২০০৮ সালের পর এবার ২৬ মার্চের আনুষ্ঠানিকতায় যুক্ত হলো এ প্রদর্শনী। চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও কুচকাওয়াজ বা প্যারেড প্রদর্শনী বন্ধ ছিল। তবে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদ্যাপনে এ আয়োজন থাকতো।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার স্বাধীনতা দিবসে জাঁকজমকভাবে এ আয়োজন করতে রমজানের শুরু থেকে প্যারেড স্কয়ার মাঠে প্রস্তুতি শুরু হয়, গত মঙ্গলবার ‘চূড়ান্ত রিহার্সেলের’ মাধ্যমে তার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।