ক্যাম্পাসে ‘চাঙ্গা’ ছাত্রশিবির ভিন্ন নামে ভোটে লড়ছে
৩ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন প্রার্থীরা। সোমবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে
নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হয়ে ৫ আগস্টের পর শক্তভাবে ক্যাম্পাসগুলোতে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতেও সরব হয় সংগঠনটি। শিবিরের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে ‘চাঙ্গা’ সময় পার করছেন তারা। তবে এর পরও ঢাকা, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তারা শিবিরের নামে প্যানেল দিচ্ছে না। তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক তিন নামে প্যানেল দিচ্ছে সংগঠনটি।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য হলো, ৫ আগস্টের পর শিবির কৌশলে নিজেদের নিয়ে সামাজিক সব মাধ্যম ও পর্যায়ে ‘হাইপ’ তৈরি করেছে। নেতাকর্মীর সংখ্যায় তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সংগঠন– এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করে চলছে তারা। কিন্তু বাস্তবে শিবিরের এত নেতাকর্মী নেই। ফলে তালিকা প্রকাশ করলে সংগঠনের প্রকৃত শক্তি প্রকাশ পেয়ে যাবে– এমন আশঙ্কা থেকে নেতাকর্মীদের নাম প্রকাশ্যে আনছে না শিবির।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনমালে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিবির মুক্তভাবেই তৎপরতা চালায়। এরশাদের আমলে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল করে নেয় তারা। ১৯৮৭ সালে ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের ‘তাহের-কাদির’ প্যানেল অংশ নেয়। এরপর আর নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়নি সংগঠনটি।