ইরানের নতুন নেতা মুজতবা কোথায়, আহত নাকি নিরাপদ স্থানে?

Megna Tv

৯ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬


#
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করার চারদিন পরেও তার অবস্থান অজানা। কারণ তাকে এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি বা তিনি সমর্থকদের সামনে উপস্থিত হননি, এমনকি কোনো ভিডিও ভাষণও শেয়ার করেননি। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় মুজতবা আহত হয়ে থাকতে পারেন। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, ৫৬ বছর বয়সী এই ধর্মগুরু সম্ভবত ইরানে চলমান মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আহত হয়েছেন, যাকে ইরানি সরকার রমজানের ‘জানবাজ’ বলে অভিহিত করেছে। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনে উপস্থাপকরা, সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মুজতবা খামেনির খবর প্রকাশ করার সময় তাকে ‘রমজান যুদ্ধে’ জানবাজ বা শত্রুদের দ্বারা আহত বলে বর্ণনা করেন। তারা আর বিস্তারিত কিছু বলেননি, যার ফলে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে জল্পনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে, বিশেষ করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। 


জাতির উদ্দেশ্যে সরাসরি বা ভিডিও ভাষণ না দেয়ায় এমন ব্যাখ্যাও করা হতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। 
 
যদিও মুজতবা খামেনি মানুষের সামনে আসেননি, তবে তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর  তার প্রতি জনসাধারণের এবং মিত্র দেশগুলো তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

মঙ্গলবার তেহরানেও ইরানিরা তাদের নতুন নেতার প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণের জন্য সমাবেশ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এই সমাবেশটি আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এর আগে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হুমকি দিয়েছে, নতুন নেতাকেও হত্যা করা হবে। এছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নতুন নেতা তার অনুমোদন নিয়েই নির্বাচিত হওয়া উচিত।
 
অন্যদিকে, মুজবতার অবস্থান নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যে, একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তার বাবার হত্যার পর নতুন আয়াতুল্লাহকে রক্ষা করার জন্য একটি অভিজাত সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে।
 

ফক্স নিউজ ডিজিটালের এক প্রতিবেদন অনুসারে, (এনওপিও) ইরানের কালো পোশাক পরা সন্ত্রাস দমন বিশেষ বাহিনী - নামে পরিচিত এই বাহিনীকে নেতার সুরক্ষার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছিল। 
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হন। এরপর আলী খামেনির দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ পুত্র মুজতবাকে ক্ষমতায় বসানো হয়। যাকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড অনুমোদন দেয় এবং রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া মুজতবাকে স্বাগত জানায়। 
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

সর্বশেষ

Link copied